দেশ টেলিভিশন লিমিটেড, কর্ণফুলী মিডিয়া পয়েন্ট, ৪২, শহীদ সাংবাদিক সেলিনা পারভীন সড়ক, মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।
টেলিফোন: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৫৮, ৮৩৩২৯২২ ফ্যাক্স: +৮৮ (০২) ৮৩৩২৯৮১ মেইল: [email protected]

কর্ণফুলী নদীর নাব্যতা রক্ষা এবং জলাবদ্ধতা নিরসনে চলমান ড্রেজিং কার্যক্রম পরিদর্শন করেছেন নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী রাজীব আহসান, এমপি, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, এমপি এবং পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয় ও ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন, এমপি।
শনিবার (১৬ মে) কর্ণফুলী নদীর সঙ্গে সংযুক্ত মহেশখালসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ খালের মুখ সরেজমিনে পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (হারবার ও মেরিন) ও ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান কমডোর আহমেদ আমিন আব্দুল্লাহ।
পরিদর্শনকালে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান প্রতিমন্ত্রীদের কর্ণফুলী নদীর নাব্যতা রক্ষা এবং খালগুলোর মুখে চলমান ড্রেজিং কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত ব্রিফিং দেন।
চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ জানায়, কর্ণফুলী নদীর স্বাভাবিক নাব্যতা বজায় রাখা এবং নদীর সঙ্গে সংযুক্ত খালগুলোর মুখে পানির প্রবাহ সচল রাখতে নিজস্ব অর্থায়নে নিয়মিত ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। এর ফলে চট্টগ্রাম নগরীর পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা উন্নত হয়েছে এবং আসন্ন বর্ষা মৌসুমে জলাবদ্ধতা নিরসনে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।
বন্দর কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, কর্ণফুলী নদীর সদরঘাট থেকে শাহ আমানত সেতুর উজান পর্যন্ত প্রায় ১ দশমিক ৫ কিলোমিটার নেভিগেশনাল চ্যানেল এবং নদীর সঙ্গে সংযুক্ত আটটি গুরুত্বপূর্ণ খালসহ বিভিন্ন স্থানে বছরে প্রায় ১৫ লাখ ঘনমিটার ড্রেজিং কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ বজায় থাকছে এবং পলি জমার হারও কমছে।
খালগুলোর মুখে ড্রেজিং কার্যক্রম বাস্তবায়নে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ নিজস্ব তহবিল থেকে প্রায় ৮৫ কোটি টাকা ব্যয় করেছে বলে জানানো হয়। বন্দর কর্তৃপক্ষের দাবি, এ উদ্যোগের ফলে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অর্থ সাশ্রয় হয়েছে।
পরিদর্শন শেষে প্রতিমন্ত্রীরা নদী ও খালমুখের বিদ্যমান ব্যবস্থাপনায় সন্তোষ প্রকাশ করেন। একই সঙ্গে আসন্ন বর্ষা মৌসুমে নদীমুখ ভরাটের কারণে যাতে নগরীতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি না হয়, সে বিষয়ে সতর্ক দৃষ্টি রাখার জন্য চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেন।
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের পরিচালক (প্রশাসন) মো. ওমর ফারুক, চিফ হাইড্রোগ্রাফার কমান্ডার ওবায়েদুর রহমান, ভারপ্রাপ্ত পরিচালক (পরিবহন) গোলাম মোহাম্মদ সারোয়ারুল ইসলাম, পরিচালক (নিরাপত্তা) লে. কমান্ডার সৈয়দ সাজ্জাদুর রহমানসহ বন্দর কর্তৃপক্ষের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
জে আই